ঘুমানোর আগে ত্বকের যত্ন নিন

সারাদিনের ঘোরাঘুরি, দূষণ, ধূলা, কেমিক্যালযুক্ত কসমেটিক্স ব্যবহারের কারণে ত্বকের অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। এছাড়া দিনভর নানা ধরনের মানসিক কিংবা কাজের চাপ তো আছেই। এসব কিছুই ত্বকের ওপর বেশ প্রভাব ফেলে। এজন্য রাতে ঘুমানোর আগে ত্বকের বিশেষ যত্ন নেওয়া দরকার।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া ইউনিভার্সিটির গবেষকদের মতে, ঘুমন্ত অবস্থায় ত্বকের সেল বেশি বৃদ্ধি পায়। একারণে সন্ধ্যায় করা ফেসিয়াল ত্বকের বেশি কাজে লাগে। গবেষক দলের একজন ডা. ডে এর মতে, বেশিরভাগ মানুষ ভালভাবে তাদের মুখ পরিষ্কার করে না। অথচ সারাদিনের ধুলা- ময়লা, ঘাম রোমকূপে জমে রোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। তাই রাতে শোওয়ার আগে ত্বক পরিষ্কার না থাকলে, রোমকূপের মুখ বন্ধ হয়ে যায়। এতে ত্বকের লাবণ্য নষ্ট হয়ে যায়, ত্বক রক্ষ দেখায়। তাই স্বাভাবিক, শুষ্ক বা তৈলাক্ত যে ধরনের ত্বকই হোক না কেন রাতে ক্লিনজিং-টোনিং-ময়শ্চারাইজ়িং একান্ত জরুরি। 
রাতে ঘুমানোর আগে ক্লিনজার দিয়ে মুখ পরিষ্কার করার পরামর্শ দিয়েছেন রূপবিশেষজ্ঞরা। ক্লিনজ়িং এর পর টোনিং করাটা জরুরি। মুখ পরিষ্কার করার পর তুলোয় টোনার নিয়ে ভাল করে মুখ মুছে নিন। ত্বক মসৃণ, টানটান এবং উজ্জ্বল রাখার জন্য টোনিং-এর কোনও বিকল্প নেই। বাজারে নানা ধরনের টোনার পাওয়া যায় আজকাল।গোলাপ পানিও টোনার হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।তুলোয় গোলাপ পানি নিয়ে মুখ মুছে নিতে পারেন।এছাড়া শশার রস ও গোলাপ পানি মিশিয়ে মুখে লাগিয়ে ১৫ মিনিট পর পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এটাও টোনার হিসেবে দারুন কাজে দেবে। 
মুখ ভালভাবে পরিষ্কার করার পর মুখে ময়শ্চারাইজিং ক্রিম লাগান। এটি ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করবে।  
মুখের ক্রিম লাগানোর পর শোওয়ার আগে চোখের ক্রিম লাগানোও জরুরি। হাতে কয়েকফোঁটা আমন্ড অয়েল নিয়ে চোখের চারপাশে লাগিয়ে হালকাভাবে একমিনিট মাসাজ করুন। এতে একদিকে যেমন চোখের চারপাশের চামড়া ভাল থাকবে তেমনি চোখের নিচের কালো দাগের সমস্যাও কমে যাবে। সূত্র: হাফপোষ্ট 

দেশীয় ফ্যাশন হাউজগুলোর ঈদ আকর্ষণ

ঈদের পোশাক প্রদর্শনী ও বিক্রিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে রাজধানীর ফ্যাশন হাউজগুলো। ইতোমধ্যেই অনেক ফ্যাশন হাউজ ঘোষণা করেছে ঈদ উপলক্ষে তাদের স্পেশাল আয়োজনে কি কি থাকছে তা। এমনি কতকগুলো ফ্যাশন হাউজের ঈদ আয়োজন নিয়ে এ প্রতিবেদন গ্রন্থনা করেছেন সাবিকুন্নাহার রীতা


হেলেন'স
পবিত্র ঈদুল ভিতর উপলক্ষে ফ্যাশন হাউজ হেলেন'স-এ নতুন ডিজাইনের পোশাকের সমারোহ ঘটেছে। তাঁতের সুতি, খদ্দর, সিল্ক, অ্যান্ডি সুতি, মসলিন কাপড় দ্বারা তৈরি পোশাকে এ্যাপ্লিক, এমব্রয়ডারি, হাতের সেলাই, পুঁতি, চুমকি, স্প্রে, বস্নক ও স্ক্রিন প্রিন্টের কাজ করা হয়েছে। শোরুম-রিফাতুল্লাহ'স হ্যাপী আর্কেড, ধানম-ি অথবা হাজী সুরুজ মিয়া সুপার মার্কেট, খিলক্ষেত, ফোন নং-০১৭৩০-০১৯৯৬১।


কে-ক্র্যাফ্ট
ঈদ এদেশের সবচেয়ে বড় আনন্দ উৎসব। দেশের প্রতিটি ফ্যাশন হাউজ ঈদ উপলক্ষে নতুন-নতুন ডিজাইনের পোশাক নিয়ে তাদের ঈদ প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। ক্রেতা, শুভানুধ্যায়ীদের নতুন কিছু দেয়ার জন্য দেশের অন্যতম প্রধান ফ্যাশন হাউজ কে-ক্র্যাফ্ট তার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। আমাদের দেশের তাঁতজাত বস্ত্রের ট্রাডিশনাল সুচিকর্মকে আধুনিকভাবে উপস্থাপনের জন্য কে-ক্র্যাফ্ট ডিজাইন স্টুডিও কাজ করে যাচ্ছে প্রতিনিয়ত। দেশের প্রধান প্রত্যেকটি তাঁত অঞ্চলে এবং প্রায় প্রতিটি কারুশিল্প এলাকায় কে-ক্র্যাফ্ট কর্মীবাহিনীর অক্লান্ত পরিশ্রম ডিজাইন স্টুডিওর মেধা-মনন এবং ক্রেতাদের ভালবাসা ও সমর্থনে কে-ক্র্যাফ্ট ষোল বছর ধরে এগিয়ে চলেছে।

প্রতিটি কে-ক্র্যাফ্ট আউটলেটে নতুন নতুন ডিজাইনের শাড়ি, সালোয়ার-কামিজ, টপস, পাঞ্জাবি, শর্ট পাঞ্জাবি, ফতুয়া, শার্ট, টি-শার্ট শিশু পোশাকসহ নানা উপহার সামগ্রী ও ঘর সাজনোর অনুষঙ্গ পৌঁছে গেছে।

নানা রঙ, বিন্যাস, অলংকরণ ও নিরীক্ষায় ঈদ পোশাকের কালেকশন সাজিয়েছে কে-ক্র্যাফ্ট। মেয়েদের পোশাকের মধ্যে শাড়ি সালোয়ার-কামিজ, টপসের সঙ্গে রয়েছে ম্যাচিং গহনা, স্যান্ডেল ও ব্যাগ। পোশাকের অরনামেন্টেশন ও ভ্যালু এডিশনে রয়েছে উৎসবের আমেজ। রঙের ক্ষেত্রে উজ্জ্বল রং- নীল, সবুজ, ম্যাজেন্ডা, লাল ও কালো ব্যবহার রয়েছে।


বকুল'স
ফ্যাশন হাউজ বকুল'সে এসেছে ঈদের নান্দনিক পোশাক। সুতি, সিল্ক, খাদিসহ বিভিন্ন দেশীয় কাপড়ে এসব পোশাকের নকশা করা হয়েছে বিভিন্ন প্রিন্ট ও হাতের কাজের মাধ্যমে। এসব পোশাকে তাই ঈদের আমজেকে দেখা যাবে ভিন্ন মাত্রায়। বকুল'সের ঈদের পোশাকের দাম- শাড়ি ৯৫০ থেকে ১৮৫০, থ্রি-পিস ৯৫০ থেকে ১৭৫০, ছেলে এবং মেয়েদের ফতুয়া ৪০০ থেকে ৮৫০, শার্ট ৪৫০ থেকে ৫৫০, পাঞ্জাবি ৬৫০ থেকে ৮৫০ এবং টি-শার্ট ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা। ঠিকানা : আজিজ কো-অপারেটিভ সুপার মার্কেটের নিচতলায় বকুল'সের শোরুম।


নিখুঁত বাংলাদেশ
ফ্যাশন হাউজ নিখুঁত বাংলাদেশ ঈদ উপলক্ষে এনেছে চমৎকার সব পোশাক। দেশীয় বিভিন্ন তাঁতের কাপড়ে এসব পোশাকের নকশা করা হয়েছে সুঁই-সুতা, এপ্লিক, চুমকি, কারচুপি, ডলারসহ বিভিন্ন হাতের কাজের মাধ্যমে। লাল, নীল, সবুজ, খয়েরি, সাদাসহ বিভিন্ন উজ্জ্বল রঙের কাপড়ে তৈরি করা এসব পোশাকের নকশায় তুলে ধরা হয়েছে ঈদের বাড়তি আমেজ। নিখুঁত বাংলাদেশের পোশাকের মধ্যে আছে মেয়েদের থ্রি-পিস, ফতুয়া, শর্ট কামিজ, শিশু ছেলে- মেয়েদের ফতুয়া, শার্ট, পাঞ্জাবি এবং টপস।

টুইন টাওয়ার, শান্তিনগর ও কর্ণফুলী গার্ডেন সিটি নিখুঁতের শোরুম।


মণিপুরী শাড়ি
ঈদ উপলক্ষে মণিপুরী তাঁত এম্পোরিয়াম আয়োজন করেছে বিশেষ শাড়ি প্রদর্শনী। মৌলভীবাজার কমলগঞ্জের আদিবাসী মণিপুরীদের হস্তচালিত তাঁতে বোনা হয়েছে প্রদর্শনীর এসব শাড়ি। রঙে ও নকশায় এসব শাড়িতে আনা হয়েছে নতুনত্ব। যা এবার ঈদে ফ্যাশন সচেতন নারীদের পোশাকের সাজে যোগ করবে নতুন মাত্রা। কলাপাতা, নীল, সাদা, হলুদ, সবুজ, খয়েরিসহ বিভিন্ন রঙের এসব শাড়ির দাম রাখা হয়েছে ১ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা। ঠিকানা : মণিপুরী তাঁত এম্পোরিয়াম, ১/১, শুক্রাবাদ, ধানমন্ডি, ঢাকা।


সুতি
এই ঈদে সুতি পোশাকের প্রতিষ্ঠান সুতি এনেছে বিভিন্ন আকর্ষণীয় নকশার পোশাক। এসব পোশাক তৈরি করা হয়েছে শতভাগ দেশীয় তাঁতের সুতি কাপড় দিয়ে। আর পোশাকের নকশায় আনা হয়েছে ঈদের ভিন্ন আমেজ। সুতির পোশাকের মধ্যে আছে, শাড়ি, থ্রি-পিস, ছেলে এবং মেয়েদের ফতুয়া, শার্ট, পাঞ্জাবি এবং শিশুদের পোশাক ও টি-শার্ট। সুতির বিক্রয় কেন্দ্র আছে : রাইফেলস স্কয়ার, ধানমন্ডি, আর, একে টাওয়ার, উত্তরা ও বেইলী স্টার, বেইলী রোডে।

দৈনিক সংবাদ

তারুণ্যের ফ্যাশন


কিছু টিপস
 পোশাক যা-ই হোক, সেটা অবশ্যই পরিষ্কার হতে হবে।
 এ সময়ের গরম আবহাওয়ায় পরপর দুদিন একই পোশাক না পরাই ভালো।
 নিজের নিরাপত্তার দিকটাও দেখতে হবে। মোটরসাইকেল চালানোর সময় হেলমেট পরা, রাস্তা পার হওয়ার সময় কানে এমথ্রি প্লেয়ার গুঁজে না রাখা—সাধারণ কিছু সতর্কতা মানতেই হবে।
 ক্লাসের প্রেজেন্টেশন, আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে নিমন্ত্রণ—এ ধরনের উপলক্ষে একটু আনুষ্ঠানিক পোশাক-আশাক পরে যাওয়াই ভালো।
 সব সময় পরা না হলেও একজোড়া ভালো জুতা, আনুষ্ঠানিক শার্ট, প্যান্ট সংগ্রহে রাখা উচিত। হঠাত্ করেই প্রয়োজন হতে পারে।
 বন্ধুর পোশাকটা খুব ভালো লাগলেও সেটা চেয়ে নিজে পরে ফেলা দুজনের স্বাস্থ্যের জন্যই ক্ষতিকর।
 জুতা, ঘড়ি, সানগ্লাস—এসব সামগ্রী সস্তায় বেশ কয়েকটি না কিনে বরং একটু দাম দিয়ে ভালো মানেরটা কেনা উচিত।

স্টাইল যখন টুপি
গাজী শারমীন

টুপির বাংলা আভিধানিক নাম হচ্ছে ‘শিরস্ত্রাণ’ বা মস্তকাবরণ। যার কাজ হচ্ছে ঠান্ডা ও গরম থেকে মাথাকে রক্ষা করা। টুপি বা ক্যাপ নিয়ে আগেও লেখা হয়েছে। তবে এবারের আয়োজন একটু ভিন্ন। এখানে ক্যাপ বা টুপি পরে ঠান্ডা ও গরম বাঁচানো নয়, শুধুই স্টাইল।
ষাটের দশকে কিউবার বিপ্লবী নেতা চে’ গুয়েভারা ক্যাপ পরে তরুণদের মধ্যে ক্যাপকে জনপ্রিয় করে তুলেছিলেন, যা পরে আস্তে আস্তে সারা বিশ্বের তরুণদের একটা বিশেষ স্টাইল হয়ে দাঁড়ায়।
আজকাল অনেক তরুণকেই দেখা যায় নানা রং ও ধরনের ক্যাপ পরে ঘুরে বেড়াতে। কারও আবার পরার ধরনটাও একটু ভিন্ন। যেমন—সোজাভাবে না পরে উল্টো করে পরা। অর্থাত্ ঘুরিয়ে পরা, যেখানে ক্যাপের বোর্ডটা থাকে মাথার পেছন দিকটায়। কখনো কোনো সময় খেলাচ্ছলেই হয়তো কেউ এভাবে ক্যাপ পরে ছিল। পরে সেটাই ক্যাপ পরার একটা বিশেষ স্টাইল হয়ে দাঁড়ায়। সংগীতশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুকে দেখা যায় এই উল্টো স্টাইলে ক্যাপ পরতে। আমাদের দেশে এভাবে ক্যাপ পরাটা আইয়ুব বাচ্চুর স্টাইল হিসেবেই তরুণদের মধ্যে জনপ্রিয়। ক্যাপ প্রসঙ্গে আইয়ুব বাচ্চু বলেন, ‘প্রথমে ব্যক্তিগত কারণে ক্যাপ পরা শুরু করলেও এখন এটা শখ আর স্টাইল হয়ে গেছে।’ তবে তিনি শুধু একটি নির্দিষ্ট ব্র্যান্ডেরই ক্যাপ পরে থাকেন এবং সেই ব্র্যান্ডের নাম হচ্ছে ‘ক্যাঙ্গোল’। বিশ্বের প্রায় সব বড় শহরেই এই ব্র্যান্ডের শাখা রয়েছে। তবে আইয়ুব বাচ্চু কিউবা শহরের ক্যাঙ্গোলের শোরুম থেকেই ওগুলো সংগ্রহ করে থাকেন। তাঁর সংগ্রহে ক্যাঙ্গোলের প্রায় সব ধরনেরই ক্যাপ রয়েছে।
ক্যাপ বা টুপির স্টাইল প্রসঙ্গে এখানে সংগীতজগতেরই দুই সহোদরের নাম করা যেতে পারে, যাঁরা ক্যাপকে নিত্যসঙ্গী করে হয়ে গেছেন স্টাইলিশ। তাঁরা হলেন হামিন আহমেদ ও শাফিন আহমেদ। নানা ধরনের ক্যাপ ও টুপি পরে শাফিন আহমেদ অনেক আগে থেকেই তাঁর একটি বিশেষ ‘ইমেজ’ তৈরি করে ফেলেছেন। তিনি বিভিন্ন ধরনের ক্যাপ ও হ্যাট পরে থাকেন। শুরুর দিকে তিনি পরতেন ‘স্টেটসন’ হ্যাট। পরে বিভিন্ন ধরনের বেসবল ক্যাপ পরা শুরু করেন। হ্যাটের ওপর তিনি বিভিন্ন ধরনের অনুষঙ্গও পরে থাকেন, যা তাঁর হ্যাট বা ক্যাপকে আলাদা একটা মাত্রা দেয়। হ্যাটের ওপর তিনি কখনো মেটালিক বেল্ট, রোপ বা স্কার্ফও ব্যবহার করে থাকেন।
এই দুই তারকা ক্যাপকে শুধু নিজেদের স্টাইলিশ করার জন্যই দীর্ঘদিন ধরে ব্যবহার করে আসছেন, তা নয়। মাথায় ক্যাপ পরাটা প্রথমে তাঁদের ভালো লাগা, তারপর ভালোবাসা এবং সবশেষে স্টাইলে দাঁড়িয়ে গেছে। আসলে কোনো জিনিসকে স্টাইলে পরিণত করতে গেলে প্রথমে তার প্রতি ভালোবাসাটা ভেতর থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আসা চাই। চাই সঠিক পোশাকবোধ, যাতে যে বস্তুটাকে স্টাইলে পরিণত করতে চাইছি, তার সঙ্গে যেন ব্যক্তিত্ব ও পোশাক-আশাকের সামঞ্জস্য বজায় থাকে। তাই আপনি যদি চান, তাহলে আপনার ব্যক্তিত্ব ও রুচির সঙ্গে মিল রেখে যেকোনো ধরনের ক্যাপ বা টুপিকে সঙ্গী করে হতে পারেন স্টাইলিশ!

ঝলমলে এক ফ্যাশন শো
আরাফাত সিদ্দিকী

শুরু হলো মোবাইল ফোনসেট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান নকিয়ার গ্লিটারবাগ সিরিজের—সম্প্রতি বাজারে আসা কয়েকটি মোবাইল ফোনসেট নিয়ে। আকর্ষণীয় ডিজাইনের মোবাইল সেটগুলো ফ্যাশন-সচেতন মানুষের জন্যই বিশেষভাবে ডিজাইন করা। পোশাক ও মোবাইল ফোন। এ দুটো আজ প্রয়োজনের গণ্ডি পেরিয়ে মানুষের ফ্যাশনের চাহিদাও পূরণ করছে। এ দুটো পণ্যই এখন প্রকাশ করছে আধুনিক মানুষের ফ্যাশন-সচেতনতার। আর তাই ঈদ সামনে রেখে মোবাইল ফোন ও পোশাককে একই সুতোয় গেঁথে এক ফ্যাশন শোর আয়োজন করেছে নোকিয়া ইমারজিং এশিয়া (নকিয়া ইএ)। গত বৃহস্পতিবার ঢাকার একটি হোটেলে আয়োজিত এ ফ্যাশন শোতে অংশ নেন দেশের তিন ফ্যাশন ডিজাইনার শাহরুখ শহীদ, কুহু প্লেমেনডন ও আনিলা হক। এ বছর ঈদের জন্য তাঁদের ডিজাইন করা পোশাকগুলো স্থান পায় এই ফ্যাশন শোতে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে এই ফ্যাশন শোর আয়োজন ও গ্লিটারবাগ হ্যান্ডসেট নিয়ে বক্তব্য দেবেন নকিয়া ইএর মহাব্যবস্থাপক প্রেম চাঁদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশে নকিয়া ইএ শুরু থেকেই তাদের গ্রাহকদের ফ্যাশন-সচেতনতাকে উত্সাহিত করে আসছে। চলতি বছরের জুলাই থেকে নকিয়া বাংলাদেশে তাদের বিশেষ ডিজাইনের মোবাইল ফোন গ্লিটারবাগের ক্যাম্পেইন চালু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় নকিয়া আয়োজন করেছে এই ফ্যাশন শো। কেননা গ্লিটারবাগ সিরিজের হ্যান্ডসেট তাদের জন্যই, যারা ফ্যাশন-সচেতন। এরপর লটারির মাধ্যমে পুরস্কৃত করা হয় ফ্যাশন শোতে আসা দর্শনার্থীদের মধ্যে পাঁচজনকে।
ফ্যাশন শো শুরু হয় কুহু প্লেমেনডনের ডিজাইন করা পোশাক প্রদর্শনীর মধ্য দিয়ে। ফতুয়া, পাঞ্জাবি এবং বেশ কিছু নতুন ডিজাইনের সালোয়ার-কামিজ ছিল তাঁর ডিজাইনে। মিশ্র সুতার এসব পোশাকে কাজ করা হয়েছে হ্যান্ডব্রাশ, ব্লক ও নানা উপকরণের সমন্বয়ে। ঈদের পোশাকে রং হিসেবে লালের ব্যবহারটাই ছিল বেশি। পোশাকে বর্ণমালার ব্যবহারটা পুরোনো হলেও উপস্থাপনটা ছিল সম্পূর্ণ নতুন। এ ছাড়া ছিল শিফন ও জর্জেটের বেশ কিছু শাড়ি। আঁচলে কুচি ও নানা রঙের কাজ করা এসব শাড়ির সঙ্গে বিভিন্ন ডিজাইনের মাননসই ব্লাউজ বদলে দেবে শাড়ি পরার ধরন।
শাহরুখ শহীদ তাঁর ডিজাইনে নিয়ে এসেছেন দেশীয় আবহে পাশ্চাত্যের ছোঁয়া। গ্রামবাংলার পুরোনো ডিজাইনগুলো যেন নতুন করে ফিরে এসেছে এ শিল্পীর ডিজাইনে। তাঁর শাড়ির ডিজাইনেও যেন ফুটে উঠেছে বাংলার কৃষ্টি ও প্রকৃতির নানা ফুল। মসলিন ও জর্জেটের মিশেল এসব পোশাকে তিনি ব্যবহার করেছেন কাঠের পুঁতি, জরি ইত্যাদি। টপস, কামিজ, পায়জামা ও শাড়ি—প্রতিটি পোশাকের ছাঁটেই ছিল নিয়ম ভাঙার চেষ্টা।
খাদির কাপড়ে ফিরোজা রঙটাই যেন আনিলা হকের বেশি পছন্দ। আমাদের দেশীয় খাদি কাপড়ে রাজকীয় পোশাক বোধহয় এমনই হতো। সেই সঙ্গে আধুনিকতার ছোঁয়াটাও চোখে পড়ে তাঁর পোশাকের ডিজাইনে। জামদানি শাড়ি আর জর্জেটের পোশাকের বিশেষ পার্টি ড্রেসগুলো যে-কারও নজর কাড়বে। রং ব্যবহারে আনিলা হক বেছে নিয়েছেন ফিরোজা ছাড়াও কালো, সাদা ও নীলাভ। ডিজাইনে বর্ণমালার ব্যবহার ছিল তাঁর পোশাকেও।
তিনটি ফ্যাশন শোরই কোরিওগ্রাফি করেছেন আজরা ও লিওনি। ফ্যাশন শোর পর বিশেষ ব্যান্ডসংগীতের পরিবেশনাও ছিল নকিয়ার আয়োজনে।

জমকালো অনুষ্ঠানে সালোয়ার কামিজ
ফারাহ শাম্মা

কুড়িতে আর বুড়ি নয়। একালে কুড়িতে পা মানে হলো ‘টিন’ তকমাটি পাকাপাকি ঝেড়ে ফেলে তরুণী হওয়ার পালা। তারপর একুশ, বাইশ... আরেকটু বড় মনে হয় নিজেকে। বড় বোন-ভাবীদের মতো পার্টিতে শাড়ি পরার ইচ্ছেটা হয় ভীষণ। এ বয়সী বিশ্ববিদ্যালয়-পড়ুয়া তরুণীদের নিজের শাড়ির সংগ্রহ সাধারণত কম, আবার অনভ্যস্ত হওয়ায় দাওয়াতে শাড়ি পরে আড়ষ্টতায় ভোগেন অনেকেই। তারুণ্যের উচ্ছলতায় শাড়ির ভারিক্কিও প্রায়ই বেমানান। বিশ ও বিশ-ঊর্ধ্ব তরুণীদের পার্টি পরিচ্ছদের এ দ্বন্দ্ব প্রসঙ্গে ‘ড্রেসিডেল’-এর ডিজাইনার মায়া রহমান বলেন, শাড়ির বিকল্প হতে পারে সালোয়ার-কামিজই, তবে তা হতে হবে জমকালো, দৃষ্টিনন্দন, শালীন।

কিছু মৌলিক বিষয়
জমকালো বলতে জামাজুড়ে স্রেফ সলমা-চুমকির ঝলকানি নয়, বরং বড় ভূমিকাটি কাপড়ের।
মায়া রহমানের মতে, অনুষ্ঠানে পরার সালোয়ার-কামিজের জন্য উপযোগী কাপড় সিল্ক, জর্জেট, ধুপিয়ান সিল্ক, মসলিন, টিস্যু—যেগুলো দেখতেই খুব জমকালো। তাতে অল্প সুতা, জরির এমব্রয়ডারি, পাথর, চুমকি, পুঁতির কারুকাজে কামিজগুলো হয়ে উঠবে নজরকাড়া। দিনের দাওয়াতে পরুন ফিকে গোলাপি, সাদা, পেস্ট, পিচ জাতীয় হালকা রংগুলো। রাতের পার্টির জন্য বেছে নিন কালো, বার্গেন্ডি, মেরুন, কফি, নীল, লাল প্রভৃতি গাঢ় রং।

ছাঁট-কাটে অনন্যতা
হালফ্যাশনের চওড়া ঘের, চাপা মুহুরির সালোয়ার ছাড়াও চুড়িদার, ধুতি, পেশওয়ারি সালোয়ার পার্টিতে পরতে পারেন অনায়াসে। ভারী সিল্ক, এন্ডি সুতির কাপড়ে চুড়িদার সালোয়ার বেশ ভালো হয়। আর বড় ঘেরের সালোয়ারের ভাঁজগুলো ভালো ফোটে জর্জেট, পাতলা সিল্ক কাপড়ে—পরামর্শ মায়া রহমানের। চলতি ফ্যাশনে ঢোলা সালোয়ারের সঙ্গে খুব চলছে খাটো কামিজে থ্রি-কোয়ার্টার হাতা। নতুন ধাঁচের আরেক ফ্যাশন চুড়িদার হাতার কামিজও ভালো লাগবে চুড়িদার সালোয়ারের সঙ্গে। হাইনেক, ভি-গলা, নৌকা ছাঁটের গলা (বোটনেক) কামিজে আনবে ভিন্ন মাত্রা। ওড়নাটি চওড়া হওয়াই ভালো।

আরও খুঁটিনাটি
টুকিটাকি কিছু বিষয় জেনে-বুঝে নিন কেমন সালোয়ার-কামিজে হয়ে উঠতে পারেন পার্টির মধ্যমণি। ফ্যাশন হাউস ‘দর্জি’র ডিজাইনার সাশা মানসুর বললেন, আজকাল খুব জনপ্রিয় হয়েছে সালোয়ার-কামিজে কাতান কাপড়ের ব্যবহার। সিল্ক, এন্ডি সিল্কের কামিজের হাতায়, গলায়, দুই পাশে, বুকে কাতান পাড়ের সমন্বয় দারুণ জমকালো লাগে। এর সঙ্গে নিতে পারেন চারদিকে কাতান পাড় দেওয়া মসলিনের ওড়না।
রঙে তো বটেই, দিনের আর রাতের পার্টির পোশাকে তফাত্টা হবে কাপড়েও, জানান তিনি। দিনের অনুষ্ঠানে পরুন ‘ম্যাট’ বা অনুজ্জ্বল কাপড় যেমন এন্ডি সিল্ক। তাতে ঝকমকে সোনালি নয়, ভালো লাগবে ম্যাট সোনালি, তামাটে, অ্যান্টিক রঙের কাজ। ধুপিয়ান, বলাকা, রাজশাহী সিল্কের মতো জ্বলজ্বলে সিল্কগুলো আলো ঝলমলে রাতের পার্টির জন্য যথার্থ।

বেছে নিন আপনারটি
সাশার মতে, লম্বা-রোগা মেয়েদের হাঁটুর ঠিক মাঝ অবধি লম্বা কামিজ, চুড়িদার সালোয়ার বেশ মানিয়ে যাবে। একটু মোটা গড়নের মেয়েদের কামিজের ঝুল হওয়া চাই হাঁটু ছাড়ানো। পোশাকে স্ট্রাইপ এড়িয়ে পরুন একরঙা কাপড়। খাটো, হালকা-পাতলা তরুণীদের হাঁটুর ওপর অবধি ঝুলের কামিজ ও তার সঙ্গে উঁচু হিল জুতায় বেশ লম্বা লাগবে। তাঁরা বাদ দিন আড়াআড়ি (হরাইজন্টাল) স্ট্রাইপের কাপড়।

আনুষঙ্গিক
চুড়িদারের সঙ্গে ফ্ল্যাট জুতা বেশ মানানসই। বৈচিত্র্য আনতে পরতে পারেন নাগরাও। অল্প হিল, কালো জুতা পরা যায় যেকোনো রঙের পোশাকের সঙ্গেই। হালকা রঙের পোশাকে মানাবে অনুজ্জ্বল সোনালি, খয়েরি জুতা। অভ্যস্ত হলে ক্লাচ ব্যাগ নিতেই পারেন। তবে সদ্য তরুণীদের ব্যাগ ঝুলিয়ে চলার অভ্যাস থাকায় হাতলহীন ক্লাচ ব্যাগটিকে ভুলে ফেলে যেতে পারেন কোথাও। তাই তাঁরা পোশাকের সঙ্গে রং মিলিয়ে হাতে ঝোলান নকশাদার বাহারি ‘বটুয়া’ ব্যাগ, জানান সাশা।
হাতভরা চুড়ি নয়, কব্জিতে পরুন ব্রেসলেট। কানের দুলটা ভারী হলে কামিজের সঙ্গে গলায় আর কিছু না পরাই ভালো। ভরাট গাল, গোল মুখের মেয়েরা পরুন লম্বা ঝোলানো দুল। আর লম্বা মুখ, খাড়া নাকের অধিকারীরা পরুন ঝুমকা। রিং, বড় গোল দুল মানিয়ে যাবে চাপা গালের মেয়েদের। কামিজের গলাটা ছড়ানো হলে কানে-গলায় বেশ লাগবে পেনডেন্ট। পার্টিতে সোনা, অক্সিডাইজড বাদ; পরুন রুপা, ইমিটেশন, পাথর বসানো মাল্টিকালার, অ্যান্টিক, কপার কালারের গয়না। রং মিলিয়ে হাতে, পায়ের আঙুলে গলিয়ে নিন মানানসই আংটি। খেয়াল রাখুন, পোশাক-জুতা-গয়নার নকশার রঙে সোনালি-রুপালির গরমিল না হয়।

সাজুগুজু
কিউবেলা হেয়ার অ্যান্ড বিউটি’র কর্ণধার ফারজানা আরমান মনে করেন তারুণ্যের নিজস্ব সৌন্দর্যে এ বয়সের মেয়েরা এমনিতেই সুন্দর হয়ে ওঠে। পার্টিতে যেতে তাই সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে দরকার শুধু ফ্যাশনেবল একটা হেয়ার স্টাইল, সঙ্গে হালকা মুখসাজ।
ঘরেই করতে পারেন এমন কয়েক রকম চুলসজ্জা আর একদম মৌলিক একটা মেকআপের বিষয়ে জেনে নিন তাঁর কাছেই:



চুল না বেঁধেই স্টাইল
১. এখন তরুণীদের খুব পছন্দ সোজা, ঝলমলে চুল। এ জন্য চুলটাকে হেয়ার ড্রায়ার দিয়ে হালকা ব্লো ড্রাই করে নিন আগে। হেয়ার সেটিং লোশন স্প্রে করুন। পুরো চুলে স্প্রে ঠিকমতো মাখাতে চুল ভালোভাবে আঁচড়ে নিলেই পেয়ে যাবেন চিকমিকে সোজা চুল।
২. ব্লো-ড্রাই করে শাইনিং সেরাম (নানা রকম পাবেন বাজারে) দিন চুলে। তারপর আয়রন করে নিলে হয়ে গেল ঝকঝকে মসৃণ চুল।
৩. কারলিং আয়রন থাকলে চুলে স্পাইরাল স্টাইল করতে পারেন। পার্টির এক দিন আগে শ্যাম্পু করতে হবে এ জন্য। ভলিউমাইজার শ্যাম্পু, কন্ডিশনার দিয়ে চুল ধুয়ে ব্লো-ড্রাই করলে চুলে বেশ ভরাট ভাব আসবে।

বাঁধা চুলের স্টাইল
১. একটু অদলবদলে সাধারণ পনিটেইলই হতে পারে ভীষণ স্মার্ট স্টাইল। চুলগুলো পেছনে টেনে ব্যান্ড দিয়ে বাঁধুন। বাঁধা চুলের একাংশ নিয়ে ব্যান্ডের ওপর দিয়ে ঘুরিয়ে ব্যান্ডটাকে মুড়িয়ে নিন। মনে হবে চুল দিয়েই গোড়া কষে চুল বেঁধেছেন। পোশাকের সঙ্গে রং মিলিয়ে পরুন চিকন রিবন, নানা রকম ক্লিপ। সামনে চুল ব্যাংগস কাটা থাকলে সেটা কপালের ওপর ছড়িয়ে দিন।
২. কটা ক্লিপ কাঁটার ব্যবহারে করে ফেলতে পারেন ফ্রেঞ্চ টুইস্ট। পেছনে টেনে চুল পুরোটা লম্বালম্বি পেঁচিয়ে নিন। পেঁচানো চুলটাকে ওপরে তুলে আবার কয়েক প্যাঁচে ঘুরিয়ে লম্বালম্বি রোলের মতো করুন। ক্লিপ, কাঁটা দিয়ে আটকে নিন।


মেকআপ
প্রথমে পুরো মুখ, তারপর চোখ ও শেষে সাজান ঠোঁট। ত্বকে দাগ না থাকলে মুখে কোনো ফাউন্ডেশন দেওয়ার দরকার নেই। সরাসরি ব্লাশ-অন হিসেবে জেল ব্লাশার দিয়ে নিন।
ত্বকের দাগ ঢাকতে ত্বকের ধরন বুঝে ব্যবহার করতে পারেন স্টিক, ক্রিম-টু পাউডার বা ক্রিম-টু ময়েশ্চারাইজার ফাউন্ডেশন। ক্রিম-টু পাউডার ফাউন্ডেশন ভেজা স্পঞ্জ দিয়ে ত্বকে মেশাতে পারেন। মুখে ক্রিম বা ময়েশ্চারাইজার দিয়ে পাঁচ মিনিট পর ফাউন্ডেশন লাগালে তা ভালো বসবে ত্বকে। এর পরও দরকার হলে লাগাতে পারেন কনসিলার।
এরপর লাগান ক্রিম ব্লাশ-অন। চাইলে শিমার দিতে পারেন ব্লাশ-অনের ওপর শুধু গালের হাড়ে। এক পরত লুজ পাউডারের পোঁচে শেষ করুন ত্বকসাজ।
এবার চোখের সাজে ভুরুর নিচে সোনালি, রুপালি বা অফ হোয়াইট আই শ্যাডো দিন হাইলাইটার হিসেবে। বেছে নিন চিকচিকে (শিমার) ধরনের আই শ্যাডো। দুই-তিন রং আই শ্যাডো মিলিয়ে দিতে পারেন। অথবা কম সময়ে মেকআপ করতে চাইলে শুধু বাদামি শ্যাডো দিয়ে মাশকারা, ওপর পাতায় আইলাইনার, নিচে কাজল দিয়ে নিন।
ঠোঁট সাজাতে আগে লিপলাইন করুন। তরুণীদের ভালো লাগবে ফ্রস্টেড লিপস্টিক বা লিপ গ্লসে। শুধু গ্লসে চটচটে ভাব হয় অনেকের। গ্লস দেওয়ার পর বরফ ঘষে নিলে তা কেটে যাবে ও দীর্ঘস্থায়ী হবে। লিপস্টিকের ওপরও গ্লস দেওয়া যেতে পারে।
ব্লাশ-অন, শ্যাডো, লিপস্টিক, লিপ গ্লসের জন্য পিচ, গোলাপি, ব্রাউনের হালকা শেডগুলো সব রঙের পোশাকের সঙ্গে মানানসই। চোখের সাজকে ফুটিয়ে তুলতে পারেন নানা ধরনের মাশকারা যেমন—থিকেনিং, ভলিউমাইজিং, কারলিং ও অন্য রং যেমন নীল মাশকারার ব্যবহারে। ব্যস, সালোয়ার-কামিজে পার্টি সাজে আপনি একদম তৈরি!

রুহিনা তাসকিন
প্রথম আলো